Difference between Power & Distribution Transformer

-----

Topic

Power Transformer

Distribution Transformer
Rating
Above 200MVA
Around 10KVA-500KVA
Flux density
Much higher
lower
Voltage level
400KV,230KV,110KV,66KV,33KV
11KV,6.6KV,3.3KV,400V,230V
Used for
Transmission purpose at heavy load
used for the distribution of electrical energy at low voltage
Efficiency Level
Approximately 98-99%
Around 50-70%
Used in
Power plant, transmission line, transmission substation
Local areas
Insulation Level
High
Lower than power Transformer
Core loss
Higher
lower
Copper loss
Relatively lower as not at the end of consumer
higher
Winding connection
Primary-star
Secondary-delta
Primary-delta
Secondary-star
Load
Fully loaded
Not fully loaded
Cooling system
ONAN,OFAF,ONWF,OFWF
Usually ONAN
Tap changer
On -load
Off-load
Protection
Buchholz relay,
Explosion vent pressure relief,
Temperature indicator
Oil gauge level
Lightening arrestor
HRC fuse
Over current relay
Buchholz relay
Need for voltage regulation
No need
Important factor

High Voltage Direct Current (HVDC) Transmission




বিদ্যুতকে অনেক দূরে পাঠানোর জন্য HVDC (High Voltage DC Transmission) ব্যাবহার করা হয় অনেক জায়গায় । ইন্ডিয়া Bahrampur থেকে বাংলাদেশ Bheramara তে প্রায় 500MW import করা হয়েছে এই HVDC ব্যবস্থায় । আমরা জানি এসি তে তিনটি কন্ডাক্টর লাগে কিন্তু HVDC তে মাত্র দুইটি কন্ডাক্টর দিয়েই এ কাজ করা যায় ।
যেহেতু এসি/ডিসি জেনারেটর উভয়ই এসি সাপ্লাই করে সেহেতু এই এসি কে থাইরিষ্টর কনভার্টার দিয়ে ডিসি তে নেয়া হয় । আবার গ্রহন প্রান্তে একই কনভার্টার ইউস করা হয়। এই মাধ্যমে কোন স্টেপআপ করা যায় না । এর Inductance + Capacitance+Power factor এর কোন সমস্যা নেই । ডিসি তে কোন স্কিন ইফেক্ট নেই ।

ছবিতেঃ

প্রথমে জেনারেটর থেকে উৎপন্ন হওয়া এসি  ভোল্টেজ-কে ট্রান্সফর্মার এর দ্বারা স্টেপ আপ করে পাঠানো হয় সুইচিং সাবস্টেশন এ যেটা এসিকে ডিসি তে কনভার্ট করে থাইরিষ্টর রেক্টিফায়ার দ্বারা অপর প্রান্তে পাঠানোর জন্যে উপযোগী করা হয়।
অপর প্রান্তে থাকা ইনভার্টার দ্বারা ডিসি কে এসি তে কনভার্ট করা হয়- রিসিভিং স্টেশন এ। সেটা ট্রান্সফর্মার দ্বারা স্টেপ ডাউন করে কনজ্যুমার দের কাছে পাঠানো হয়।

সহজে বুঝার জন্যঃ
 Suppose, আমি ইন্ডিয়া থেকে বাংলাদেশ পর্যন্ত ১৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানি করব। এখন যে ট্রান্সমিশন লাইন ব্যবহার করে কাজটা করা হবে সেটাকে Back To Back transmission line বলে। ভারত আমাদের AC দিচ্ছে। আমরা ভেড়ামারা converting substation এ AC টু DC করছি। এরপর আবার DC টু AC করে গ্রিড এ দিচ্ছি। ভারত থেকে আসছে ৪০০ KV AC আমরা এখানথেকে ২৩০ KV করে গ্রিড এ দিচ্ছি। এখন হাই ভোল্টেজ ডি সি জেনারেট করা হয় কেন? কারণ,
১) আমরা জানি, কোন ট্রান্সমিশন লাইনে ফ্রিকুয়েন্সি, Reactance ফিক্স থাকেনা। উঠানামা করে। আর উঠানামার হার দুই দেশে ভিন্ন রকম। তাই এই ঝামেলা এড়াতে এটা ব্যবহার করা হয়
২) আর স্কিন ইফেক্ট এর ঝামেলা নেই।
৩) শুধুমাত্র দুটো তার ব্যবহার করেই HVDC ট্রান্সমিশন করা সম্ভব। 
৪) কম খরচেই ৭০০ কিমি পর্যন্ত এই লাইন ইন্সটল করা যায়।
এখন প্রশ্ন হল কেন আমরা এটা ব্যবহার করব???

----এসিতে প্রসেস করে তো খুব খারাপ হচ্ছে না,তাহলে??
লস কমাতে + কস্ট কমাতে এটি ব্যবহার করা হয়।
এছাড়াঃ




খরচঃ

comparison of cost of hvdc and hvac

দেখাই যাচ্ছে খরচ অনেক কম আবার লাইন লস ও অনেক কম,কন্ডাক্টর ও কম লাগবে,I^2*R loss ও কম, বেশ নির্ভরযোগ্য এসির তুলনায়।।

 High Voltage Direct Current (HVDC) সিস্টেমে কারেন্টের ফ্রিকোয়েন্সি শূণ্য থাকে বলে ট্রান্সমিশন লাইনে কোনো স্কিন ইফেক্ট বা প্রক্সিমিটি ইফেক্ট পড়ে না। 
 HVDC সিস্টেম বহুদূরে DC current কে পাঠনোর জন্য ব্যবহার করা হয়। কিন্তু এই সিস্টেমে কোনো ট্রান্সফরমার ব্যবহার করা হয় না current চলাচল করার ক্ষেত্রে।


 যদিও বা কিছু কিন্ত আছে এখানেঃ


--অনেক জটিল  প্রসেস
-- একবার  ফেইল করলে প্রায় ১১০০ মেগাওয়াট এর ঘাটতি দেশের প্ল্যান্টগুলো সামলাতে পারবে না ফলে ব্ল্যাকআউট হবে দেশজুড়ে।
--অনিয়ন্ত্রিত পাওয়ার ফ্লো।
বাংলাদেশ-ভারত ব্যাক টু ব্যাক ট্রান্সমিশনঃ

বাংলাদেশ(ভেড়ামারা)- ভারত(বহরমপুর)
৪০০ কেভি লাইন
১০০০ মেগাওয়াট এই লাইন দ্বারা আর বাকি ১৬০মেগাওয়াট ত্রিপুরা লাইন দ্বারা আনা হয়।
লোড ফ্যাক্টরঃ ৮০-৯০%
ইন্ডিয়ান সাইডেঃ ৭১.৫কিমি
বাংলাদেশ সাইডেঃ ২৭.৩৫কিমি
প্রস্তুতকারকঃ সিমেন্স
পার ইউনিট কস্টঃ ৫.৩৪টাকা

আজ এ পর্যন্তই...



Transmission & Distribution voltage 11KV, 33KV, 66KV ও 132KV কেন হয়?

Transmission & Distribution voltage 11KV, 33KV, 66KV ও 132KV কেন হয়?
-----

Transmission & distribution voltage গুলো 11KV, 33KV, 66KV,132KV কেন হয়? কেন তারা 11 এর গুণিতক? কেন 10, 30, 60, 120 নয়??
------------- চলুন এর ব্যাখ্যা খুঁজি।
########    অনেকের ধারণা ফর্ম ফ্যাক্টর 1.11 হয় বলে, ভোল্টেজ প্যাটার্ন গুলো এরুপ হয়।
10 x 1.11 = 11.1  (Okay! It is approximately correct)
30 x 1.11 = 33.3
60 x 1.11 = 66.6 (Error! it is 66kV)
120 x 1.11 = 133.2 (A big error of about +1.2kV because it is 132kV as used)
বাস্তবে এ ধারণা সঠিক নয় কারণ 120 ভোল্ট কে 1.11 দিয়ে গুণ করলে 132KV আসছেনা।
আর ফর্ম ফ্যাক্টর হল RMS & Average value এর Ratio। 
                                        form factor = .707/.637 = 1.11

সেটা গুণ করার কোন মানে নেই। 

তাইলে সঠিক কোনটি??
তার আগে একটা উপমা দিই। 
----ধরুন, আপনি রাজশাহী থেকে ৫০০ আম চট্টগ্রামে পাঠানোর কন্টাক্ট পেলেন। তখন আপনি কি বরাবর ৫০০ আমই পাঠাবেন?? অবশ্যই নয়।
কারণ, পথিমধ্যে ছিনতাই হতে পারে কিংবা আম পচে যেতে পারে। তাই কিছু ব্যাক আপ রাখতে হবে। ৫০ টা বাড়তি দিতে হবে। একইভাবে পাওয়ার ট্রান্সমিশন /ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানিগুলো আসল ভোল্টেজের থেকে ১০% অতিরিক্ত ভোল্টেজ প্রেরণ করে। কারণ, তারা ভালই জানে যে পথিমধ্যে সিস্টেম লস হবে।
এখন তাহলে আসুন হিসেব করলে দাঁড়ায়,
10 + 10 x 10% = 11 KV
30 + 30 x 10% = 33 KV
60 + 60 x 10% = 66 KV
120 + 120 x 10% = 132 KV
এখন অনেকের মাথাই প্রশ্ন ঘুরতেছে আমি খালি 10, 30, 60, 120 কেই হিসেবে আনতেছি কেন?
আমাদের দেশে মূলত জেনারেটিং & ডিস্ট্রিবিউশন স্টেশনগুলো এই ভোল্টেজ উৎপন্ন করে। পরবর্তীতে ব্যাক আপ সহ উক্ত ভোল্টেজগুলো প্রেরণ করে। হুম একটু কম বেশি হতেই পারে। তবে এ হিসাব অন এভারেজ।

ফর্ম ফ্যাক্টর মোটেই এর সাথে কোনভাবেই সম্পর্কিত নয়।

তাই 


"The generation companies tends to generate round figure voltages like 10kV, 20kV, 60kV, 120kV etc. But this huge voltage needs to be transmitted over huge distance. The overhead line through which the power will be transmitted has its own impedance which will cause a considerable amount of voltage drop. This drop as being calculated is near about 10% based on all Physical factors. That’s why generation companies add 10% more in their actual target which neutralizes the line losses and the receiving end gets the targeted result. So,
Net Voltage = Target Voltage + 10% of Target Voltage
→ 132kV = 120kV + 12kV (10% of 120kV)
→ 66kV = 60kV + 6kV
→ 11kV = 10kV + 1kV
ফলে দেখা যাচ্ছে ১০% এক্সট্রা করে নিয়ে হিসাব টি সহজেই মিলে যায় এবং এটিই বাস্তবে করা হয়ে থাকে।।

ইনফোঃ ইকবাল মাহমুদ ভাই+quora

A brief history of RAMPAL COAL POWER PLANT






Image result for rampal power plant


* Location: Bagherhat
* Also known as- Maitree super Thermal power plant.
* Joint venture of BPDB+ NTPC
* company name- BIFPCL(Bangladesh-India Friendship Power Company Limited)
* Plant capacity: 2*(660MW) = 1320MW approximately
* FUEL: COAL(grade=  bituminous+sub-bituminous)
* Coal Flow /day = 12920ton
* Annual Coal Requirement: 4.72Million Ton/year
*
Stack(chimney)height: 275m
*Ashes & sludge production: 0.3M ash+ 0.5M sludge
*
water intake: From possur River
*CO2 emission per day: 11.6M kg
* Carbon emission: 3.16M kg
*
Sundarban capacity to absorb carbon: 4.2M kg
*
Distance from sundarban: 14kms away
*
Approximate plant factor: 58%-60%
*
water discharge system: close cycle cooling+ circulating water
* Project area: 1834 ACRES
* cost: 2B USD

                       Image result for rampal power plant

* ownership structure:

Image result for rampal power plant

* loss and Profit:

Image result for rampal power plant
 


power sector overview of bangladesh





TOTAL GENERATION CAPACITY AT PRESENT: 20,854MW

1ST ELECTRICITY USED IN BD: AHSAN MANJIL ,1901 

ELECTRICITY ACT FOLLOWED: 2018

HIGHEST GENERATED ELECTRICITY: 11,623MW(19sep,2018)

ELECTRICITY IMPORTED FROM INDIA: 1160MW(2*500+160)

QUICK RENTAL PP: 1890MW

BIGGEST SOLAR POWER PLANT: 28MW , HNILA OF TEKNAF

TOTAL DISTRIBUTION LINE: 4,89,000CKT KM

TRANSMISSION LINE: 11,396CKT KM

TOTAL POWER PLANT: 137+

GRID SUBSTATION: 131

SYSTEM LOSS: 11.87%

DISTRIBUTION LOSS: 9.60%

MAIN SOURCE OF FUEL: GAS(66%)

BIGGEST POWER PLANT: APSCL(1876MW)

RAMPAL COAL PP: 1320 MW

MATARBARI ULTRA SUPER CRITICAL PP: 1200 MW

PAYRA THERMAL PP: 1320MW

COAL FIRED PP: BARAPUKURIA PP(525MW)

1ST NUCLEAR PP: RUPPUR NPP(2*1200MW)

2ND NPP: BARISAL (yet TO BE CONFIRMED)

400KV TRANSMISSION LINE: VERAMARA-INDIA

PER CAPITA ELECTRICITY CONSUMPTION: 464KWh

HYDROPOWER PLANT: KAPTAI HYDRO POWER PLANT(230MW)

WASTE MANAGEMENT POWER PLANT: N.GANJ (3MW)

TOTAL UNIT RUNNING COUNTRYWIDE: 143+

PALLI BIDDUT SAMITI(PBS): 80

POWER HUB: ASUGANJ, SIDDHIRGANJ, PAYRA, SIRAJGANJ, MATARBARI, MODUNA.

NOTABLE GENERATION COMPANY:
 EGCB, RPCL ,BPDB  , APSCL ,BCMCL, KPCL,NWPGCL,WZPDCL, SUMMIT POWER, ORION,UNITED GROUP, SINHA GROUP etc.

TRANSMISSION COMPANY: PGCB

DISTRIBUTION COMPANY: DPDC,DESCO,PDB, NWPGCL,WZPDCL

FUEL TYPE: GAS, COAL, WIND, SOLAR, WASTE MANAGEMENT, HYDRO, HFO, HSD, LFO, OIL etc.

VOLTAGE LEVEL IN BD: 11-18KV, 33KV, 132KV, 220KV, 400KV.

COMMUNICATION MEDIUM SUBSTATION  to SUBSTATION: SCADA,PLCC

PER UNIT COST OF ELECTRICITY BY FUEL:

hydro- 1.32tk

gas: 2.8tk

coal: 7.38tk

furnace oil : 11.48tk

diesel: 19.30tk 

 solar: 16.14tk

power imported from india: 5.94tk

ELECTRICITY COVERAGE: 95%









Difference between ELECTRICAL & ELECTRONICs



1.   ELECTRICALis the use of electricity

       ELECTRONICs- utilizes all types of devices to control ELECTRON flow in a circuit.

2.    ELECTRICAL - uses conductor.

        ELECTRONICs- uses semiconductor.

3.   ELECTRICAL-handles high power.

       ELECTRONICs -handles low power.

4.    ELECTRICAL   works on AC.

       ELECTRONICs- works on DC(mainly).

5.    ELECTRICAL- cannot manipulate data.

       ELECTRONICs- manipulates data assign to it.

6.   ELECTRICAL- devices can not make decision.

       ELECTRONICs - devices can make decision.

7.    ELECTRICAL- used to generate and distribute electricity.

       ELECTRONICs- used for switching and amplifying power.

8.    ELECTRICAL- works on the flow of electron.

       ELECTRONICs- works on the flow of electron and hole.

9.   ELECTRICAL- consists of passive components.

       ELECTRONICs-  consists of active components.

10.  ELECTRICAL-  management of electric energy.

       ELECTRONICs - is a specific branch of PHYSICS.

AC কে টনে প্রকাশ করা হয় কিন্তু KW-এ প্রকাশ করা হয় না কেন?

AC কে টনে প্রকাশ করা হয় কিন্তু KW-এ প্রকাশ করা হয় না কেন?

==== এসিকে টনে প্রকাশ করা হয় তার কারণ হল প্রতি ঘন্টায় কি পরিমাণ তাপ রুম থেকে remove করতে পারে এর উপর ভিত্তি করে এসিকে তৈরি করা হয়।

কোনো  এসি যদি প্রতি ঘন্টায় ১২০০০ BTU/  ১০০০ কিলােক্যালরি / ৪১২০ কিলােজুল তাপ remove করতে পারে তাকে এক টন এসি বলে।

কিভাবে ১২০০০ BTU আসলো জানা যাকঃ

LATENT HEAT OF FUSION--The amount of heat required to convert one unit amount of substance from the solid phase to the liquid phase — leaving the temperature of the system unaltered — is known as the latent heat of fusion।

 1 BTU = 1,055 joules, 252 calories (BTU = British thermal unit)

বরফ গলাতে তাপ লাগে --- 143 BTU /POUND 
                                        

সেই হিসেবে ১টন(১০০০কেজি বা ২০০০ পাউন্ড) বরফকে গলাতে তাপ শোষিত হবেঃ

১৪৩*২০০০ = ২৮৬০০০ BTU
 এবার একটি এসি যদি ২৪ ঘন্টা চলে সে হিসেবে ঘন্টায় তাপ শোষিত হবেঃ

২৮৬০০০/২৪ = ১১৯১৭ BTU/hr
 যাকে রাউন্ড করে নিলে ১২০০০BTU/hr হয়।
  সেজন্য এসিকে টনে প্রকাশ করা হয়।

যেহেতু অ্যাক্টিভ পাওয়ারের সাথে  সরাসরি সম্পর্কিত নয়  বরং রুম থেকে তাপ সরানোয়  জড়িত ,তাই একে কিলোওয়াটে প্রকাশ করা হয়না।






ট্রান্সফর্মারের সিলিকা জেল

ট্রান্সফর্মারের সিলিকা জেল: কার্যপ্রণালী

মানুষ যেমন নাক দিয়ে শ্বাস প্রশ্বাস নেয়,
ব্রিদার ও ট্রান্সফরমার এর ক্ষেত্রে সেই কাজ টাই করে।

ব্রিদার: কোনো কারণে ট্রান্সফরমারের ভিতরে থাকা ইনস্যুলেটিং ওয়েল গরম হয়ে গেলে উৎপন্ন গ্যাস বের করে দিয়ে স্বাভাবিক অবস্থা বজায় রাখে। যা ব্রিদিং আউট নামে পরিচিত।

আর যখন আগের অবস্থায় ফিরে যায়, তখন বাইরে থেকে জলীয়বাষ্প গ্রহন করে,যা ব্রিদিং ইন নামে পরিচিত।


গ্রহন করা বাতাসে যে জলীয়বাষ্প থাকে তা ট্রান্সফরমার ওয়েলের জন্য ক্ষতিকর,সে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষার জন্য সিলিকা জেল ব্যবহার করা হয়ে যা বাতাস থেকে জলীয়বাষ্প আলাদা করে শুষ্ক বাতাস ট্রান্সফরমারে এ পাঠায়।

নতুন অবস্থায় সিলিকা জেলের রঙ
নীল,
সিলিকা জেলের দানাগুলো জলীয়বাষ্প দ্বারা স্যাচুরেট হয়ে গেলে
গোলাপী বর্ণ ধারণ করে।

ফলে তখন বুঝা উচিৎ যে, সিলিকা জেল বদলাতে হবে।
১৮০-২০০ ডিগ্রি তাপমাত্রায় গোলাপী বর্ণের সিলিকা জেলের পাত্রে রেখে উত্তপ্ত করলে পূনরায় নীল বর্ণ ধারণ করবে যা পূনরায় ব্যবহার যোগ্য।

ব্রিদারের নীচে একটি ওয়েল ক্যাপ থাকে যা বায়ুতে থাকা ডাস্ট পার্টিকেল জমা করে নিয়ে বায়ুকে বিশুদ্ধ করে ট্রান্সফরমারে পাঠায়।

নিচের ছবিতে দেখে নিন:
silica gel




Featured post

BPSC Preparation(Technical _9Th grade)

Electrometa-welcome here BPSC JOB Sector & Its preparation. প্রথমেই বলে নেই BPSC মানে বাংলাদেশ পাব্লিক সার্ভিস কমিশন, যাকে দেশের নাগর...

Popular Ones